Loading...

জরায়ু ক্যান্সারের ৯টি লক্ষণ জেনে নিন

জরায়ু ক্যান্সারের ৯টি লক্ষণ জেনে নিন। আমাদের দেশের নারীরা জরায়ু ক্যান্সার কি লুকিয়ে রাখেন এবং অনেকে তো অনেক আগে চিকিৎসা করা সম্ভব হলেও এই লুকিয়ে রাখার কারণে জরায়ু ক্যান্সার আগে থেকে সনাক্ত করা সম্ভব হয় না। আজই জেনে নিন জরায়ু ক্যান্সারের নয়টি লক্ষণ যা দেখে আপনি বুঝতে পারবেন আপনি জরায়ু ক্যানসারে ভুগছেন।

মেয়েদের কাছে স্তন ক্যান্সার একটি আতঙ্কের নাম। সারা বিশ্বে এই রোগের প্রকোপ দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। তবে নিঃশব্দে মৃত্যুর ভয়ঙ্কর থাবা বসাচ্ছে জরায়ু ক্যান্সার। বর্তমানে দেশে হাজার হাজার নারী এই প্রাণঘাতী রোগে আক্রান্ত। সচেতনার অভাব এবং লজ্জার কারণে জরায়ু ক্যান্সারের পরীক্ষা করাতে চান না সিংহভাগ নারী। যখন রোগ ধরা পড়ে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কিছু করার থাকে না।

Cancer Uterus

অনেকেই মনে করেন যে, জরায়ু ক্যান্সার হয়তো প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পরে হয়ে থাকে। কিন্তু এটি ভুল ধারণা। যে কোন বয়সেই নারীদের জরায়ু ক্যান্সার হতে পারে। তবে বিশেষ করে ৫০ বছর বয়স্ক বা এর চেয়েও বেশি বয়সের নারীরা জরায়ু ক্যান্সারে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন। জরায়ু ক্যান্সারকে ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলা হয়ে থাকে। কারণ, এই অসুখ দেখা দিলে অনেক নারীরাই এর প্রাথমিক লক্ষণগুলি বুঝতে পারেন না বা লক্ষণ দেখা দিলেও বিশেষ গুরুত্ব দেন না।

ইউরোপের দেশগুলির মধ্যে, বিশেষ করে উত্তর ও পূর্ব ইউরোপে ২০১২ সালে প্রায় ৬৫,০০০ হাজার নারী জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং ইউরোপের দেশগুলিতে ছয় প্রকার ক্যান্সারের মধ্যে জরায়ু ক্যান্সার সবচেয়ে বেশি আলোচিত। কারণ, প্রতি বছর গোটা পৃথিবীতে প্রায় ২,৫০,০০০ নারী জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীরা এই অসুখ হওয়ার প্রথম অবস্থায় চিকিৎসা না করানোর ফলে তাদের বেঁচে থাকার হার ৫০% কমে যায়। আর যারা প্রথম থেকেই চিকিৎসা করান, তাদের বেঁচে থাকার সম্ভবনা ৯৫%।

তাই সুস্থ থাকতে এই অসুখের প্রাথমিক কিছু লক্ষণ সম্পর্কে জেনে রাখুন। লক্ষণগুলো দেখা দিলে হাসপাতালে গিয়ে ক্যান্সার স্ক্রিনিং করিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন।

জরায়ু ক্যান্সারের ৯টি লক্ষণ

১. আচমকা ক্ষুধা কমে যাওয়া।

২. সবসময় বমি বমি ভাব কিংবা বার বার বমি হওয়া।

৩. পেটে অতিরিক্ত ব্যথা কিংবা পেট ফুলে থাকা।

৪. গ্যাস, বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য। হালকা খাবারের পরও ভরপেট অনুভব করা, পেটে অস্বস্তি লাগা, ইত্যাদি পেটের কোনো সমস্যা খুব বেশি হলে তা জরায়ু ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে।

৫. যৌনাঙ্গের চারপাশে চাপ চাপ বোধ হওয়া এবং ঘন ঘন মূত্রত্যাগ করা।

৬. অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি পাওয়া কিংবা হঠাৎ করে ওজন অনেক কমে যাওয়া।

৭. অভ্যস্ত থাকার পরেও যৌনমিলনের সময় ব্যথা অনুভূত হওয়া।

৮. অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করা।

৯. নারীদের মেনোপজ হয়ে যাওয়ার পরেও রক্তক্ষরণ হওয়া।

Reference:

Uterine Cancer—Patient Version

Cancer of the Uterus (Uterine Cancer or Endometrial Cancer)

Loading...

Facebook Comments

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.