Shaving-Tips-Bangla

শেভ করার আগে ও পরে যা করতেই হবে | দাড়ি কাটার নিয়ম [ভিডিওসহ]

শেভ করা ছেলেদের প্রতিদিনের নিয়মমাফিক কাজ। এই শেভ করা নিয়ে থাকে অনেকের হেলাফেলা। কেউ কেউ নিয়মিত বাসায় শেভ করে থাকলেও অনেকেই আছেন যারা হুট হাট শেভ করার জন্য ঢুকে পড়েন অস্বাস্থ্যকর সেলুনে। 

দাড়ি কাটার উপযুক্ত নিয়ম খুব সহজে বলা কঠিন। শেভ করার ঝামেলা এড়াতে অনেকেই সেলুন বেছে নেন। তবে সুস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে নিজের শেভ করার সরঞ্জামাদি দিয়ে শেভ করা ভালো। এক্ষেত্রে নিজে শেভ করতে গিয়ে কখনো দাড়ির বিপরীতমুখী টান দিয়ে ত্বক কেটে ফেলেন। শেভ করা ভালো না হলে মুখের ত্বক খসখসে বা দাড়ি বেশি শক্ত হয়ে যেতে পারে। কারো মুখে র‌্যাশ অথবা ব্রণের উৎপাত দেখা দেয়। কারো কারো মুখে জ্বলুনিও হতে পারে। এসব সমস্যা থেকে রেহাই পেতে দরকার আরামদায়ক শেভ করা।

Dhaka Sex Video
Shaving-Tips-Bangla
Shaving-Tips-Bangla

প্রত্যেকেরই উচিত শেভের প্রতি যত্নশীল হওয়া। সেই সঙ্গে যার যার শেভের উপকরণ আলাদা থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যা অনেকেই মেনটেইন করেন না। বিশেষ করে বিভিন্ন সেলুনে একই উপকরণ দিয়ে অনেক মানুষের শেভ করে। রূপচর্চা বিষয়ক এক্সপার্টরা বলে থাকেন, ‘বাইরে শেভ করতে গেলে অবশ্যই শেভের আগে নিশ্চিত হয়ে নিন, যে সেলুনে প্রতিবার শেভের জন্য নতুন ব্লেড, ভালো মানের লোশন বা ক্রিমসহ জীবাণুনাশক উপকরণ আছে।’ প্রায় সব পুরুষেরই শেভ করার পর ত্বক খসখসে হয়ে যায়। কারণ শেভ করার সময় নিজের অজান্তেই টুকিটাকি ভুল সবাই করে থাকেন। যার ফলে ত্বকের নমনীয় ভাব চলে যায়। জেনে নেওয়া যাক শেভ করার সময় কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখা উচিত।

শেভ করার আগে ও পরে যা করতেই হবে | দাড়ি কাটার নিয়ম

দাড়ি বেশি বড় হয়ে গেলে (Bangla Shaving Tips)

অনেক সময় দাড়ি বেশি বড় হয়ে গেলে বারবার একই জায়গায় রেজার দিয়ে শেভ করার চেষ্টা করে থাকেন অনেকেই। মনে রাখতে হবে এটা করলে ত্বক কুচকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ সমস্যা এড়াতে ইলেকট্রিক রেজার দিয়ে আগে দাড়ি ছোট করে নিতে পারেন। ইলেকট্রিক রেজার হাতের কাছে না থাকলে ছোট কাঁচি দিয়ে দাড়ি ছোট করে নিন। পরে মুখে শেভিং ফোম লাগিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন। তারপর রেজার দিয়ে শেভ করে ফেলুন। এতে শেভ করার পরও আপনার ত্বক মসৃণ হবে।

গোসলের পর শেভ করুন

শেভ করার আগে মুখ ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করার অভ্যাস নেই অনেকেরই। আবার সেলুন তো এই চর্চা একেবারেই দেখা যায় না। তবে সবচেয়ে ভালো হয় যদি গোসল করার পর শেভ করা হয় তাহলে। এক্ষেত্রে গোসল করার সময় কিছুক্ষণ পানি দিয়ে মুখ ভিজিয়ে নিন। এতে দাড়ি অনেক নরম হয়ে যাবে। ফলে মসৃণভাবে শেভ করতে পারবেন সহজেই।

তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে নিন

একটি পরিষ্কার তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে মুখের ওপর রেখে দিন। যতক্ষণ না তোয়ালে ঠাণ্ডা হয় ততক্ষণ এভাবে ধরে রাখুন। এতে ত্বকের লোম কূপের মুখ খুলে গিয়ে দাড়ি নরম হয়ে যাবে। এরপর শেভ করলে মুখের ময়লাও দূর হয়ে ত্বক পরিষ্কার হয়।

ভালো মানের উপকরণ বেছে নিন

ত্বক ভালো রাখার সব ধরনের উপাদান আছে এমন শেভিং ক্রিম, ফোম বা জেল বেছে নিন। ভেজানো ব্রাশ দিয়ে ভালোমতো ফোমটা মুখে লাগিয়ে নিন। ব্লেড বা রেজার ব্যবহারের আগে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। যত দূর সম্ভব ছোট ছোট স্ট্রোকে টানুন।

উল্টো দিকে রেজার টানবেন না

উল্টো দিকে রেজর কখনো টানবেন না। এতে ত্বকে সমস্যা দেখা দিতে পারে। শেভ করা শেষ হলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে পুরো মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর ফিটকিরি, স্যাভলন, লোশন ইত্যাদি থাকলে তা মুখে ঘষে নিন। এতে সেভের পর মুখের জীবাণু কাটবে।

শেভ করা মানে গালে ধারালো ব্লেড চালানো! অনেকেই শেভ করতে গিয়ে অনেক জোরে গালে ব্লেড চেপে ধরেন। কিন্তু তাতেও যেন নিখুঁত শেভ হয় না। নিখুঁত শেভ করার পেছনে রয়েছে কিছু কলাকৌশল। সম্প্রতি রেজর নির্মাতা জিলেটের বিশেষজ্ঞরা নিখুঁত শেভের বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন।

জিলেটের গবেষকেরা বলছেন, শেভ করার বিষয়টি বাবা বা বড় ভাইয়ের মতো বয়স্কদের কাছ থেকেই অনেকে শেখেন। কিন্তু অনেক বাজে অভ্যাসও এর ফলে এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের মধ্যে চলে যেতে পারে।

dhaka call girl

শেভিং পণ্য নির্মাতা ব্র্যান্ড জিলেটের প্রধান গবেষক ক্রিস্টিনা ভেনুসথুয়াজ সম্প্রতি নিখুঁত শেভ বিষয়ক একটি গবেষণা চালিয়েছেন। তিনি জিলেটের ইনোভেশন সেন্টারে শেভিং প্রযুক্তি নিয়ে নয় বছরের বেশি সময় ধরে গবেষণা করছেন। দাড়ি কীভাবে কাজ করে, দাড়ি কোনদিকে কাটা উচিত কিংবা দাড়ি কাটার আগে গোসল করা প্রয়োজন কি না এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি।

জিলেটের এই গবেষণার জন্য, প্রতিদিন সকালে ৮০ জন স্বেচ্ছাসেবক জিলেটের ইনোভেশন সেন্টারে শেভ করেছেন। তাঁদের শেভ করার বিষয়টি ম্যাগনিফায়িং লেন্স, দ্রুতগতির ক্যামেরার মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করে ধারণ করেন গবেষকেরা। এই পরীক্ষায় ব্লেড কীভাবে দাড়ি কেটে ফেলে সে বিষয়টি দেখা হয়। এতে দেখা যায় যখন রেজরে একাধিক ব্লেড থাকে তখন প্রথম ব্লেডটি চুল টেনে তোলে, দ্বিতীয় ব্লেডটা তা কেটে ফেলে।

দাড়ির চুলের ব্যাস এক মিলিমিটারের দশ ভাগের একভাগ পর্যন্ত হয়। যখন দাড়ি শুকনা থাকে এটি ১৩০ মাইক্রন (এক মাইক্রন সমান ০.০০১ মিলিমিটার) পর্যন্ত হতে পারে কিন্তু এটি ভেজানো হলে এর আকার ১৫০ মাইক্রন পর্যন্ত বেড়ে যায়। এতে দাড়ির পৃষ্ঠদেশ বিস্তৃত হয় এবং ব্লেড সহজেই দাড়ি কাটতে পারে। এ ছাড়া দাড়ি কাটার সময় ভেজানো হলে তা ত্বক টান টান হয়। ফলে, দাড়ির বেশির ভাগ অংশ বের হয়ে আসে।

গবেষক ক্রিস্টিনা ভেনুসথুয়াজ বলেন, শেভ করার আগে গোসল করে নেওয়া ভালো। শুকনা দাড়ি কাটা কঠিন বলে বেশি করে পানি ব্যবহার করে দাড়ি ভিজিয়ে নিলে আরামদায়ক শেভ করা যাবে। সাধারণত, শুকনা চুল তামার তারের মতো শক্ত হতে পারে। কিন্তু যখন তাতে পানি ঠেকে দাড়ি ভিজে যায় এবং তা কাটা সহজ হয়। দাড়ি কাটার আগে বেশি করে পানি দিয়ে মুখ ও গলা ভিজিয়ে নিতে হবে এবং মুখ পরিষ্কার করে নিতে হবে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, গাল, চিবুক বা গলার অংশে চুলের ফলিকলগুলো আলাদা আলাদা। তাই সবখানেই একই রকম স্ট্রোক দিয়ে দাড়ি কাটা ঠিক হবে না। দাড়ির মুখ যেদিকে সেদিক থেকে কাটতে হবে। বিপরীত দিক থেকে টান দেওয়া উচিত হবে না।

গবেষক বলেন, দাড়ি কাটার সহজ নিয়ম খুব সাধারণভাবে বলা কঠিন। কারণ এতে অনেক জটিল বিষয় থাকে। অনেক সময় দাড়ির মুখ বরাবর রেজর টান দিলেও দেখা যায় অনেক দাড়ি বিপরীতমুখী হয়ে কেটে যায়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে হালকা হালকা চাপ দিয়ে দাড়ি কাটতে হবে। আগে দাড়ির মুখ বরাবর কেটে নিয়ে এরপর উল্টো করে আস্তে আস্তে টান দিয়ে আরাম দায়ক শেভ করা সম্ভব হবে। এ ক্ষেত্রে রেজর অবশ্যই ভালো হতে হবে।

গবেষক বলেন, দাড়ি কাটার সময় অনেকেই ব্লেডের ওপর দেড় কেজি পর্যন্ত শক্তি প্রয়োগ করেন। ব্লেডের ওপর এত চাপ প্রয়োগ করা উচিত নয়। শক্তি প্রয়োগের চাইতে রেজরকে তার কাজ করতে দেওয়া উচিত। হালকা ছোঁয়ায় দাড়ি কাটা উচিত। শেভ শেষ হয়ে গেলে রেজরটিকে সিঙ্কের পানিতে ধরে রাখা উচিত নয়। বরং পানিতে রেজর ধুয়ে নিয়ে তা থেকে পানি ঝেড়ে ফেলে সংরক্ষণ করা উচিত।

জিলেটের বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

শেভ করার আগে মুখ ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। মুখ পরিষ্কার করার জন্য ক্লিনজার ব্যবহার করে মুখের ময়লা দূর করতে হবে এবং মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে দাড়ি নরম হবে ফলে দাড়ি কাটার জন্য বেশি চাপ দেওয়ার দরকার হবে না।
মুখে বেশি করে শেভিং জেল ব্যবহার করতে হবে। এতে মুখের ওপর ব্লেডের ঘর্ষণ প্রতিরোধী একটি স্তর তৈরি হবে এবং রেজর মসৃণভাবে মুখের ওপর ঘোরানো যাবে। ফলে মসৃণ ও আরামদায়ক শেভ করা সম্ভব হবে।
একাধিক ব্লেডযুক্ত রেজর দিয়ে শেভ করুন। শেভিংয়ের সময় বেশি চাপ না দিয়ে হালকা স্ট্রোকে শেভ করুন। রেজরকে তার কাজ করতে দিন।

দাড়ির বিপরীতমুখী শেভ না করে শুরুতে দাড়ির দিক অনুযায়ী শেভ করুন। ব্লেড যাতে বেশি পুরোনো বা বিরক্তিকর না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। রেজর কতদিন বা কতবার ব্যবহার করা হচ্ছে সে অনুযায়ী এর মেয়াদ নির্ভর করে। এ ক্ষেত্রে সাধারণ সূত্র হচ্ছে রেজর যদি মুখে দাগ কাটতে শুরু করে এবং শুরুর মতো দাড়ি কাটতে না পারে তবে ব্লেড বদলে ফেলতে হবে।
শেভের পর মুখে আফটার শেভ হিসেবে ময়েশ্চারাইজার বাই রিহাইড্রেট কোনো কিছু ব্যবহার করুন। আফটার শেভের পণ্যগুলোতে অ্যালকোহল থাকে যা অ্যাস্ট্রিজেন্ট বা চোষক হিসেবে কাজ করে এবং ত্বকে স্টেরিলাইজার হিসেবে কাজ করে। এতে ত্বকে সংক্রমণ হয় না।

মেয়েদের Musterbation

Leave a Comment