কানের বিভিন্ন রোগ ও লক্ষণ
কানের বিভিন্ন রোগ ও লক্ষণ
কান মানবদেহের পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা দেয়। যেমন_ কানে কম শোনা, কান দিয়ে পুঁজ পড়া, কানে ব্যথা, ইনফেকশন, কানে কোনো কিছু ঢোকা, কানে রক্ত জমা, কানের পর্দা ফাটা ইত্যাদি। এই রোগগুলো কখনো কখনো খুবই মারাত্দক পর্যায়ে যেতে পারে, যদি সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা করা না হয়। শিশুদের মধ্যে কানে পুঁজ প্রায়শই দেখা দেয়। বিশেষ করে যাদের গণ্ডমালা ধাতুগ্রস্ত। হাম জ্বরে ভোগার পরও কানে পুঁজ হতে পারে। এসব সমস্যাকে অবহেলা করলে স্থায়ীভাবে বধিরতা দেখা দিতে পারে এবং রক্তপুঁজ সৃষ্টি হয়ে মারাত্দক রোগে পরিণত হয়। পূর্ণবয়স্কদের কানে পুঁজ দেখা দিলে চিকিৎসকরা বধিরতার পূর্ব লক্ষণ মনে করেন। আবার জ্বর অথবা কোনো কর্ণস্রাব ছাড়া যে সূচিবিদ্ধ তীব্র ব্যথা কানে হয়, তাকে সাধারণত কর্ণশূল (otalgia) বলে। এ ধরনের কানে ব্যথা দাঁতে পর্যন্ত পরিব্যাপ্ত হয়। হাম বা বসন্ত রোগের পর কানের ভেতর খোঁচা মারা অথবা কানের ভেতর ফোঁড়া থেকেও কর্ণশূল হতে পারে। ঠাণ্ডা লাগানো থেকেও এটি দেখা দেয়। কানের এসব রোগের জন্য প্রাথমিক অবস্থা থেকেই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নেওয়া ভালো। অন্যথায় অবহেলা করলে পরে মারাত্দক জটিল উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এই রোগের চিকিৎসায় লক্ষণ সমষ্টির ভিত্তিতে হোমিওপ্যাথিতে বিনা কষ্টে অতি দ্রুত আরোগ্য লাভ সম্ভব।
সতর্কতা : এসব রোগীর সাধারণত অযথা কান খোঁচানো উচিত নয় এবং কানে যাতে পানি না ঢোকে সেদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত। মোবাইলে অতিরিক্ত কথা বলা ঠিক নয়। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ ব্যবহার করা উচিত নয়।
লেখক : কনসালটেন্ট
হোমিওপ্যাথিক ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ঢাকা।
শ্বাসকষ্টের কারণ ও চিকিৎসা । শ্বাসকষ্ট কোনো নির্দিষ্ট রোগ নয়। এটি শরীরের বিভিন্ন রোগের লক্ষণমাত্র।

১২:৪৯:৫৯
আমি কিছু দিন পর পর কান পরিষ্কার করাতে যায়। তখন তারা আমাকে বলে আপনার কানে সমস্রা আছে। আপনাকে কান পরিষ্কার করাতে হবে। কখন তারা কান পরিষ্কার করে এম সময় কান থেকে কালো কালো রক্ত বের হয়। এভাবেই যাখনই পরিষ্কার করাই তখনই তারা বলে আপনার এই সমস্যা আছে। এর থেকে প্রতিকারের উপায় কিৰ